1. news@banglaislamicnews.com : admin :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌্যাবের নাম পরিবর্তনের চিন্তা সরকারের :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন সেনাপ্রধান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন: সিএনএন আমরা ফিলিস্তিনি আদর্শের ধারক: দখলদার ইসরায়েলকে হামাস নেতা ঢাবি ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ১০৫ বছর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত র‌্যাবের নাম পরিবর্তনের চিন্তা সরকারের :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আন্তঃআঞ্চলিক শক্তি ও ইসরায়েলি আগ্রাসন ঠেকিয়ে দেবে: পেজেশকিয়ান ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের নির্দেশনা দিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিজবুল্লাহর ড্রোনের মোকাবেলায় অসহায়ত্ব স্বীকার করেছে ইসরায়েল গাজাগামী ত্রাণবাহী জাহাজে ইসরায়েলি হামলা: সব মানবাধিকারকর্মী আটক ইরানের ওপর আরোপিত যুদ্ধ ও এর পরিণতি বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা

প্রাথমিকের বৃত্তির ফল যাচাইয়ের সুযোগ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০২৩
  • ৫১৬ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে স্থগিত হওয়া প্রাথমিকের বৃত্তির ফল বুধবার রাতে প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এতে মোট প্রাপ্ত বৃত্তির সংখ্যার পরিবর্তন হয়নি। ফলে আগের তালিকায় নাম থাকা অনেকেই সংশোধিত তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রাপ্যতা ছিল কিন্তু কারিগরি ত্রুটির কারণে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা। ফলে আগের তালিকায় নাম থাকা অনেকেই নতুন তালিকায় বাদ পড়েছে। এসব শিক্ষার্থীকে বৃত্তির ফল যাচাই করে দেখার সুযোগ দিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) এ তথ্য জানান ডিপিই পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. উত্তর কুমার দাশ। তিনি বলেন, বৃত্তির ফলাফল চ্যালেঞ্জ ও পুনর্নিরীক্ষা করার সুযোগ আইনে নেই। তারপরও এবার যেহেতু অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ঘটেছে, তাই আমরা এ সুযোগটি দিতে চাই। কী কারণে ওই শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়নি তা আবেদনকারীকে ব্যাখ্যাসহ জানিয়ে দেওয়া হবে।

ড. উত্তর কুমার দাশ আরও বলেন, সংশোধিত ফলাফলে কেউ সংক্ষুব্ধ হয়ে বা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে কিন্তু কোনো তালিকায় নাম আসেনি এমন যে কেউ এ আবেদন করতে পারবে। আমরা তাদের আবেদনগুলো যাচাই বাছাই করে দেখবো। উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় বা অধিদপ্তরে এ আবেদন করা যাবে বলেও জানান তিনি।

তবে এই কর্মকর্তার দাবি, সংশোধিত ফলাফল প্রকাশের পর প্রকৃত মেধাবীদের কোনো অভিযোগ থাকার কথা নয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বৃত্তির ফলের নানা ধরনের কোটা থাকে। এসব কোটার কারণে অনেক অভিভাবক ভাবতে পারেন ওই স্কুলের বাচ্চা বৃত্তি পেলে আমরা বাচ্চা কেন পাবে না। খোঁজ নিলে জানা যাবে বৃত্তি না পাওয়া শিক্ষার্থী পৌরসভার মধ্যে কোনো স্কুলের, বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থী হয়তো গ্রামের কোনো স্কুলের। এসব বিভ্রান্তি দূর করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright ©banglaislamicnews.com
Theme Customized By BreakingNews