1. news@banglaislamicnews.com : admin :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌্যাবের নাম পরিবর্তনের চিন্তা সরকারের :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন সেনাপ্রধান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন: সিএনএন আমরা ফিলিস্তিনি আদর্শের ধারক: দখলদার ইসরায়েলকে হামাস নেতা ঢাবি ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ১০৫ বছর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত র‌্যাবের নাম পরিবর্তনের চিন্তা সরকারের :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আন্তঃআঞ্চলিক শক্তি ও ইসরায়েলি আগ্রাসন ঠেকিয়ে দেবে: পেজেশকিয়ান ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের নির্দেশনা দিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিজবুল্লাহর ড্রোনের মোকাবেলায় অসহায়ত্ব স্বীকার করেছে ইসরায়েল গাজাগামী ত্রাণবাহী জাহাজে ইসরায়েলি হামলা: সব মানবাধিকারকর্মী আটক ইরানের ওপর আরোপিত যুদ্ধ ও এর পরিণতি বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বিপক্ষে লড়বেন কিলিচদারোগ্লু, তার পরিচয় কী?

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০২৩
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কে আগামী মে মাসে হবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এ নির্বাচনে একে পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

দীর্ঘ সময় তুরস্কের ক্ষমতায় থাকা এরদোয়ান যেন নতুন করে আর ক্ষমতায় না আসতে পারেন সেজন্য এক জোট হয়েছে দেশটির বিরোধীদলগুলো। আর এবারের নির্বাচনে এরদোয়ানের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য তারা মনোনয়ন দিয়েছে কেমাল কিলিচদারোগ্ললুকে। তিনি রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) নেতা।

কে এই কেমাল কিলিচদারোগ্লু?

কেমাল কিলিচদারোগ্লু ১৯৪৮ সালে পূর্বাঞ্চলের শহর তুনসেলিতে জন্মগ্রহণ করেন। সংখ্যালঘু আলেভি মুসলিম সম্প্রদায়ের পরিবারে তার জন্ম হয়। তার বাবা ডিড অফিসার এবং মা গৃহিণী ছিলেন।

কিলিচদারোগ্লু আঙ্কারার অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট থেকে অর্থনীতির ওপর স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি তুরস্কের সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ পদে কাজ করেছেন। এছাড়া আঙ্কারার হাকেত্তেপে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা এবং তুরস্কের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক আইএস ব্যাংকের বোর্ড মেম্বারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

কিভাবে রাজনীতিতে কিলিচদারোগ্লুর উত্থান?

কিলিচদারোগ্লু ২০০২ সালের সাধারণ নির্বাচনে সিএইচপির টিকেট নিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে সে বছর প্রথমবারের মতো তুরস্কের ক্ষমতায় আসে এরদোয়ানের একে পার্টি।

কিলিচদারোগ্লু ২০০৭ সালে আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই সময় ডেনিজ বৈকালের নেতৃত্বাধীন সিএইচপির সংসদীয় কমিটির ডেপুটি স্পিকার হন তিনি।

২০১০ সালে ডেনিজ বৈকাল সিএইচপির দলীয় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালে কিলিচদারোগ্লু দলের সম্মেলনে সকলের সম্মতিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এরপর থেকে তার দল সিএইচপি এরদোয়ানের একে পার্টির কাছে সব সাধারণ ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে।

তবে সিএইচপি এবং তার মিত্রদলগুলো রাজনীতির মাঠে  ২০১৯ সালে বড় ধরনের সাফল্য পায়। ওই বছর মেয়র ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারা এরদোয়ানের একে পার্টিকে ছয়টি বড় প্রদেশের পাঁচটিতেই হারিয়ে দেয়। যার মধ্যে ছিল তুরস্কের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক এবং বৃহৎ শহর আঙ্কারা ও ইস্তামবুল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright ©banglaislamicnews.com
Theme Customized By BreakingNews